কুষাণ সাম্রাজ্যের ইতিহাস: উত্থান থেকে পতনের সম্পূর্ণ বিবরণ

প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে কুষাণ সাম্রাজ্য ছিল এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। কুষাণরা ছিল মূলত মধ্য এশিয়ার ইউয়ে ঝি বা তোচারিয়ান জাতির শাখা। তাদের হাত ধরে শুরু হওয়া এই সাম্রাজ্য একসময় ভারতের উত্তর-পশ্চিম থেকে শুরু করে উত্তর ও মধ্য ভারতে…

কলা বা টিস্যু কী? উদ্ভিদ ও প্রাণী কলার প্রকারভেদ ও কাজ

কলা বা টিস্যু কী? প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। আর একই ধরনের কয়েকটি কোষ একত্রিত হয়ে যখন নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পন্ন করে তখন সেই কোষ গুচ্ছকে বলা হয় কলা বা টিস্যু। ​সহজভাষায়, আমাদের শরীরে কোষগুলো শুধুমাত্র ইটের মত…

কোষ বিভাজন কী? | অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস, মিয়োসিস ও কোষ চক্র বিস্তারিত ব্যাখ্যা

যে প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে অপত্য কোষ তৈরি করে, তাকেই কোষ বিভাজন বলা হয়। জীবের বৃদ্ধি, বংশবৃদ্ধি এবং ক্ষত নিরাময়ের জন্য এই প্রক্রিয়া অপরিহার্য। কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ কোষ বিভাজন প্রধানত তিন প্রকারের হয়ে থাকে। যথা: অ…

কোষ কী? কোষের গঠন, প্রকারভেদ ও কোষ অঙ্গানু বিস্তারিত আলোচনা

কোষ কী প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। এবং জীবদেহের সমস্ত জৈবিক ক্রিয়াগুলো কোষের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। জীবদেহের পরিপাক, পুষ্টি, শ্বসন, রেচন, বৃদ্ধি, জনন ইত্যাদি জৈবিক কাজগুলি কোষে এককভাবে সম্পন্ন হতে পারে। তাই সহজ কথা…

শব্দ: তরঙ্গ, প্রতিধ্বনি, শব্দের শ্রেণীবিভাগ ও ব্যবহার

শব্দ কী শব্দ হলো এক প্রকার শক্তি , যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি সৃষ্টি করে। এটি একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ যা পদার্থের কম্পনের ফলে উৎপন্ন হয় এবং কোনো জড় মাধ্যমের (কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়। শব্দের উৎপত্তি শব্দের ম…

আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা

আলো কী  ​আলো হলো এক ধরণের শক্তি, যা আমাদের চোখে দর্শনের অনুভূতি জাগায়। এটি তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ হিসেবে চলাচল করে। আলোর চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না; এটি শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও চলাচল করতে পারে। কোন বস্তু থেকে নির্গত ব…

তাপ ও তাপমাত্রা: সংজ্ঞা, পার্থক্য, পরিমাপ ও তাপ সঞ্চালন পদ্ধতি

তাপ ও তাপমাত্রা  পদার্থবিজ্ঞানে তাপ ও তাপমাত্রা দুটি ভিন্ন ধারণা হলেও এরা একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সহজভাবে বলতে গেলে, তাপ হলো একটি কারণ এবং তাপমাত্রা হলো তার ফলাফল। • তাপ কী? ​তাপ হলো এক প্রকার শক্তি , যা গ্রহণ করলে ব…

নিউটনের গতিসূত্র: সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা, উদাহরণসহ

স্যার আইজ্যাক নিউটন 1687 সালে তার বিখ্যাত ' প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেম্যাটিকা ' গ্রন্থে গতির তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এই সূত্রগুলোই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং আমাদের চারপাশের বস্তু কীভাবে চলাচল করে, তা ব…

Load More
That is All